লিখেছে টপ ডক্টরস খুলনা টিম · · ২ মিনিটে পড়ুন
ডায়াবেটিস সারাজীবনের রোগ, কিন্তু নিয়ন্ত্রণে রাখলে স্বাভাবিক জীবন যাপন করা যায়। সঠিক ডাক্তার বেছে নিয়মিত ফলো-আপ করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
কোন অবস্থায় কোন ডাক্তার
- নতুন ধরা পড়া টাইপ-২ ডায়াবেটিস → ডায়াবেটোলজিস্ট বা মেডিসিন বিশেষজ্ঞ
- ইনসুলিন শুরু বা ডোজ ঠিক করা → ডায়াবেটোলজিস্ট
- শিশু বা তরুণ বয়সে ডায়াবেটিস, থাইরয়েড বা অন্য হরমোনের সমস্যা → এন্ডোক্রাইনোলজিস্ট
- গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিস → গাইনি বিশেষজ্ঞ ও ডায়াবেটোলজিস্ট একসাথে
ডায়াবেটিসের সাধারণ লক্ষণ
- ঘন ঘন প্রস্রাব ও অতিরিক্ত পিপাসা
- বেশি খিদে অথচ ওজন কমে যাওয়া
- ক্লান্তি ও চোখে ঝাপসা দেখা
- ক্ষত সারতে দেরি হওয়া
নিয়মিত যে পরীক্ষাগুলো দরকার
- HbA1c — প্রতি ৩ মাসে, গত ৩ মাসের গড় সুগার দেখায়
- কিডনি পরীক্ষা (ক্রিয়েটিনিন ও প্রস্রাবে প্রোটিন) — বছরে অন্তত একবার
- চোখের রেটিনা পরীক্ষা — বছরে একবার
- পায়ের অনুভূতি ও ক্ষত পরীক্ষা — প্রতিবার চেকআপে
- কোলেস্টেরল ও রক্তচাপ
প্রতিদিনের অভ্যাস
- ভাত ও মিষ্টির পরিমাণ কমান, সবজি বাড়ান
- প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটুন
- ওষুধ বা ইনসুলিন সময়মতো নিন, নিজে বন্ধ করবেন না
- বাসায় গ্লুকোমিটারে সুগার মেপে খাতায় লিখে রাখুন
সুগার খুব কমে গেলে
হাত-পা কাঁপা, ঘাম, বুক ধড়ফড় বা মাথা ঘোরা হলে সুগার কমে যেতে পারে। সঙ্গে সঙ্গে চিনি-পানি, গ্লুকোজ বা মিষ্টি কিছু খান। রোগী অজ্ঞান হলে মুখে কিছু না দিয়ে হাসপাতালে নিন।
খুলনার ডায়াবেটিস ও হরমোন বিশেষজ্ঞদের চেম্বার ও ফি আমাদের সাইটে দেখুন। সিরিয়াল ও ২৫% ছাড়ে HbA1c সহ টেস্টের জন্য বুকিং লাইনে যোগাযোগ করুন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
এই বিষয়ে রোগীরা সবচেয়ে বেশি যে প্রশ্নগুলো করেন, তার সংক্ষিপ্ত উত্তর।
ডায়াবেটোলজিস্ট মূলত ডায়াবেটিস দেখেন। এন্ডোক্রাইনোলজিস্ট ডায়াবেটিসসহ থাইরয়েড, পিটুইটারি ও অন্যান্য হরমোনের সব রোগ দেখেন।
বেশিরভাগ প্রাপ্তবয়স্কের জন্য ৭%-এর নিচে লক্ষ্য রাখা হয়, তবে বয়স ও অন্য রোগ অনুযায়ী আপনার ডাক্তার লক্ষ্য ঠিক করবেন।
নিয়ন্ত্রণে থাকলে সাধারণত ৩ মাস পরপর; সুগার নিয়ন্ত্রণে না থাকলে বা ওষুধ বদলালে আরও আগে।
আরও প্রশ্ন আছে? আমাদের বুকিং লাইনে কল বা হোয়াটসঅ্যাপ করুন